![]() |
| হে পুরুষ : পুষ্পজিৎ পতি |
অন্ধকার গুহায় প্রথিত বীজ'কে,
অতি যত্নে পালন করে
শরীরের পুষ্টিরস আর
আবেগময় অনুভূতি দিয়ে
ধীরে ধীরে বড় করা অঙ্কুর, একদিন দেখেছিলো পৃথিবীর আলো,
তার পদতলে নিক্ষেপিত হয়ে.
হে পুরুষ.
অন্ধকার কুটির হতে
যে পথ বেয়ে প্রথম আলো দেখা,
যার অমৃত ধারার উৎস মুখে
পান করা অমৃত রস,
জুগিয়েছে তোর মাংস পিন্ডের বিকাশে.
আজ নিত্যান্তই রিরংসায়,
রিরংসু দুটি চোখ সেই ধারা
চূড়ায় গেছে আটকে,
সেই পথে নেমেছে তোর লৌহ দন্ড.
ধিক তোরে...
হে পুরুষ.
কেমন করে ভুলে গেলি?
যে হাতের যত্নে,
বুকে আগলে রাখা পরম
স্নেহ, মমতায়,আদরে তৈরী করা
তোর পুরুষ রূপের কারিগর,
সেই করুণাময়ী আধার কে?
পুরুষ সংশ্রবে লেলিহান লোভাতুর চোখে,
পাশব-সম শাসক সান্যিধ্যে
কারিগরি শিক্ষায় নিম্নগামী
মনুষ্যত্বের স্রোতে ভাসা
নরকীটের অবস্থান আস্তাকুড়ে.
অশিক্ষিত অনুশাসনে,
দুষ্ট অভিসন্ধি নিয়ে
ভোগের চরম শিখরে বসা
শাসক,
লাগাম ছেড়ে মত্ত আত্ম-প্রচারে,
সে দেশ অভিপ্রেত ঘনঘটায়
আমি নিম্নগামী লেখনীর রক্ত আঁচড়ে লিখছি কাব্য কথা প্রচারের অভিপ্রায়ে...
হে পুরুষ.
শরীরে নয়,
মনে পুরুষ প্রথিত হোক
সামাজিক অবয়বে.

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন