![]() |
| অমিল জীবাশ্ম : পুষ্পজিৎ পতি |
আমার অহংকারী মন, পৃথিবীর সব আদিমতা কে আমন্ত্রণ জানায়, প্রাগৈতিহাসিক গহ্বর খুঁড়ে খুঁজে আনে আমার পূর্ব পুরুষের ছাল চামড়া গলে যাওয়া হৃৎপিণ্ডহীন কঙ্কাল.
তারপর হাড় গুলোকে জড়ো করে গুনতে থাকে,
এক, দুই, তিন....
আমার আত্মা, আত্মীক যোগাযোগ ছিন্ন করে হিসেব খোঁজে লাভ-লোকসানের.
ঘুন ধরা হাড়, ওজন মেলেনা.
বুকচিরে বেরিয়ে আসা আর্তনাদ নিস্ফল ক্রন্দনে মিলিয়ে যায় অরণ্যের গুহায়, গাছে গাছে...
পৃথিবীর প্রাচীন সম্পদ, দাবানলে পুড়ে যাওয়া ছাই.
চাহিদার মনি কঠোরে ঢুকরে ওঠা ধোঁয়া পাক খায় পিঙ্গলা আবর্তে.
তেজস্বী গুনধারা ঝর্ণা স্রোতে ধুয়ে সাফ,
কালের অন্তরীক্ষে মহাকালের অট্টহাসি অগোচরেই পরিহাস করে, আঁচড়ে কামড়ে দাগ ফেলে যায় মৃত্যুহীন পূৰ্বজ পাঁজরে. তার অস্তিত্বের প্রহর গোনা ধূপকুণ্ডলী ধোঁয়ায় মিলিয়ে যায় বাতাসে বাতাসে.
স্বার্থান্বেষী অমানবিক ছায়া, শরীর খুঁজে ক্লান্ত.
মূল্যবোধহীন অহং হার মানেনা,
খুঁড়ে চলে কাম, ক্রোধ, লোভ বশীভূত অদ্ভুত চাওয়া-পাওয়ার নেশায়.
পশ্চিমে সূর্যের লাল রঙ চোখে ধরে না, বর্ণান্ধ শাসনে...
অতঃপর নিজের খোঁড়া কবর অপেক্ষা করে একজন্ম আঁধার নিয়ে...

1 Comments:
দারুন।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন