কেন লিখি : রুদ্রসাগর কুন্ডু

রুদ্রসাগর কুন্ডু
  কেন লিখি       
                        
     জীবন চলার পথ, নানান অভিমুখে বিভক্ত। পথে চলতে চলতে, বিভিন্ন বাঁক নিতে নিতে অপার রহস্য, অনন্ত জিজ্ঞাসা, আর অগণিত নির্ণয় সহযোগে মানুষের অভিজ্ঞতা ক্রমাগত বেড়ে চলে, সেই পথের আলে আলে। শিশুকাল, কৈশোর, যৌবন এবং মৃত্যু পর্যন্ত সমস্ত বয়সের স্তরগুলো জ্ঞান অর্জনের একেকটি সিঁড়ি মাত্র। প্রত্যেকটি বিষয়ের অভিজ্ঞতা, অনুভব, শিক্ষা, নির্ণয়, অভিমতগুলো সমৃদ্ধ হতে হতে মানুষ এগিয়ে চলেছে সৃষ্টির আনন্দে। মহাজগতের ইতিহাসে, মহাকালের অপার সমুদ্রের ঢেউ-মূর্ছনায়। 

বিগত কাল রয়েছে, আগামীর প্রত্যাশায়। বর্তমান রয়েছে, সৃষ্টির প্রণবানন্দে। এখানে প্রাণ-বস্তু-গ্রহ-নক্ষত্র, বুদ্ধি-বিদ্যা-জ্ঞান-সৃষ্টি-উদ্ভাবন, ধ্বংস-লয়-সংরক্ষণ-স্মরণ-ব্যত্যয়, বিকাশ-প্রচার-ত্যাগ ;আনন্দে ভরে আছে কানায় কানায়। কখনও অভাব-অভিযোগ, প্রতিবাদ-প্রতিহিংসা, অভিঘাত-অন্তর্কলহ, যুদ্ধ-সংঘাত আবার কখনও প্রেমের বন্যায় ভেসে যাওয়া। এই পৃথিবীর পথে পথে কত অনুসঙ্গ! কত রকমের নন্দন, নির্মাণ, রহস্য!  হোমারের ইলিয়েড, ওডিসি। বাল্মীকির রামায়ণ, বেদব্যাসের মহাভারত, সেক্সপিয়রের হেমলেট এবং মাইকেলের মেঘনাদবধ। এছাড়া, হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বীরবাহু, নবীনচন্দ্র সেনের পলাশীর যুদ্ধ নানান ঘটনার অভিমুখে টেনে নিয়েছেন আমাদের ভাবনার বহুমূল্য চিন্তনকে। 

রঁদ্যার ভাস্কর্য, তানসেনের সুরমূর্ছনা, আইনস্টাইনের পরমানু বোমা, নিউটনের মধ্যাকর্ষণ শক্তির আবিস্কার। সক্রেটিস, ডারউইন, শ্রীচৈতন্য, লালন ফকির, কার্লমার্কস, রবীন্দ্রনাথ আরও কত কত আবিষ্কারক! উদ্ভাবক! পৃথিবীর পথে পথে এমনি অসংখ্য নুড়ি, মণি-মুক্তা, অমূল্য সব অনুধ্যান। বিবর্তনের পরিমার্জনায় কত কত কল্পনাশক্তির উদ্ভব। কত নীতি শাস্ত্র। কত ধর্ম, হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান আরও আরও আরও; অসংখ্য, অগণিত, অপার অন্তহীন। হারায়, জন্মায়। কেউ গান করে, কেউ ছবি আঁকে। ভাস্কর্য গড়ে কেউ, কেউ গড়ে জীবন। কারও পথ তথাকথিত ধর্মের, কারও পথ জীবন-সৃষ্টির অপার আনন্দের, দিব্যজ্ঞানের। এই জীবন বোধ আর বর্তমান সমাজে নিহিত সংঘাতের রূপ যিনি দেখতে পান, তিনি-ই কবি। দার্শনিক। ভবিষ্যতের কান্ডারী। তার হৃদয় অবশ্যম্ভাব্য আগামী দর্শন করেন। এবং প্রাকৃতিক নিয়মেই তা ব্যক্ত করেন। মাধ্যম সে যাই হোক; মৌখিক, লিখিত, চিত্রকলা, সঙ্গীত, ভাস্কর্য, সুর, নৃত্য, কৌতুক।
   
     মানবসৃষ্টির রহস্যে প্রকৃতির যে খেয়াল-ই থাকুক, সৃষ্টি রহস্যেই ভেদাভেদ রয়েছে। নইলে, সকলেই শিল্পসৃষ্টির মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রেখে জীবন-প্রতিপালনে ব্রতী হতে পারে না কেন। মানুষের কিছুমাত্র অংশই এই শিল্পজ্ঞান ও ঐশীজ্ঞান-প্রাপ্ত করতে পারেন। সক্রেটিসের যুগে তাঁর চিন্তনের সমকক্ষ ক’জন মানুষ ছিলেন? অথবা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের মত ক’জন সাহিত্যিক আজও নিজ মহীমায় প্রকাশিত হলেন, ভারতে? মানুষের কর্মক্ষমতা তাঁর সৃষ্টি-রহস্যেই নিবেদিত থাকে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিপালনের প্রচেষ্টা ও পরিণতি, মানুষকে অনন্য করে। সাহিত্যে শুধু নয়, জীবনের সবক্ষেত্রে তা বিদ্যমান। রঁদ্যা বা  রামকিঙ্কর বেইজ সমগ্র পৃথিবীতে অসংখ্য হয় না। প্রকৃতির রহস্যময় এই জগতের দিনতিপাতে আমরা কেবল অসহায়ের মত বিলাপ করে চলেছি। যিনি যা হবার তিনি তা হবেন। প্রকৃতির এই নিয়ম। 

নিবিষ্ট অনুধ্যানের ফলে কখনও কখনও লেখক হবার বাসনা পাঠক-হৃদয়ের কোণে উঁকি মারে বৈকি। তথাপি, পথের গতিধারাই নির্ণয় করে দেয় জীবনের সীমারেখা এবং পরিণতি। তাই তো, আজন্ম সাধনা, শত প্রচেষ্টা, কতশত পদ্ধতি অবলম্বন করেও নির্মাণকে সৃষ্টির বীজে রুপান্তর করে উঠতে পারে না অসংখ্য হৃদয়। আর অন্যদিকে, চরম অবহেলায় প্রাকৃতিক সৃষ্টির অপার করুণায় আত্মতত্ব জ্ঞানের মহামহিম লালন ফকির; দিব্যজ্ঞানে প্রখর তেজের আলোয় অসীম অন্ধকার ভেদ করে জ্বলে আছে, একটি অনির্বাণ আলোববর্তিকার মত। প্রচেষ্টায় ও ক্ষমতায় শিল্পী হতে পারলে প্রত্যেক দেশে, সমাজে অসংখ্য কবি-সাহিত্যিকের জন্ম হত। ফকির লালন বলেছেন, ‘অসময়ে কৃষি করে মিছামিছি খেটে মরে। গাছ যদিও হয় বীজের জোরে, তাতে ফল ধরে না।’ এই তো জীবন, সাধকের, বাউলের, কবির। সময় গেলে সাধন হবে না, দিন থাকিতে দীনের সাধন সাধতে পারে ক’জন কবি?

      মানুষের সাধ্য নেই সৃষ্টি করে। প্রকৃতির পথনির্দেশ থেকেই গতিপথ নির্মিত হয়। বীজ অঙ্কুরোদগম হয়। কারও বীজে শুধু গাছ হয়, আবার কারও গাছে ফলও ধরে। সক্রেটিস বিখ্যাত হতে চেয়ে দেশে দেশে হাজারো মিডিয়ায় মুখ দেখানোর  অবকাশ পাননি। তবু তার অনুভব এবং প্রকাশ গোটা দুনিয়ায় মানুষের ভাবুক মনকে চঞ্চল করেছে। সমৃদ্ধ করেছে। তার চিন্তা-চেতনার ধারায় কত সৃষ্টি! কত আনন্দ! লালন সাঁই একটি ছোট্ট অঞ্চলজুড়ে সমগ্র পৃথিবীর রূপ-রহস্যের ফল ফলিয়েছে। অনন্ত-অসীম-রহস্যে টেনে নিয়ে গেছে। এই অপার শক্তি-সৃষ্টির ক্ষমতা মানুষের নয়, প্রকৃতির, প্রতিপালনের। আমি কী লিখব, কেন লিখব; এ-সব-কিছুই প্রকৃতির খেয়াল। আমার সাধনা পবিত্র হলে আমার নির্মাণটুকুতেই জন্মাবে সৃষ্টির রস, শিল্প-নন্দন-সুফল। 

সমাজ ফুলের পাপড়ির মতো ধরে আছে সৌন্দর্য, বীষ, পচন ও সৃষ্টি। ক্ষণিকের এই জন্ম, তবু তার কী শোভা, কী মায়া। সমাজের এই দোদুল্যমানতা, দ্বন্দ্বের এই চিরন্তন রহস্যে কী দারুণ সন্তরণ করেছেন মহামণীষী কার্লমার্ক্স। জীবনের পথে পথে মুক্তির জয়গান গেয়েছেন। অনিবার্য বিপ্লবে, যুদ্ধে, সৃষ্টি হবে ফুলের উদ্যান। শোভিত হবে সাম্যের বাগান। অসংখ্য ফুল ফুটবে সেই বাগান জুড়ে। অসামান্য শোভা। আবার ইলিয়াড, ওডিসি, মহাভারত, রামায়নের পরম্পরা,  শ্রীচৈতন্যের প্রেমাখ্যান; লালনের আধ্যাত্মবিদ্যার সমৃদ্ধি, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টির অসীম ভান্ডর! এই সব সৃষ্টির শক্তি, মানবের ইচ্ছার দ্বারা সম্ভব নয় বলেই আজন্ম কালধরে লিখে গিয়েও কত কবি অন্তসারশূন্য আস্ফালনে জীবন ব্যয় করেছেন। লেনিনের বিপ্লব ব্যর্থ করে দিয়ে প্রকৃতির সন্তানেরা শোষণের নিবিড় যন্ত্রণায় শুয়ে আছে শিশুর মত।
    
     উন্নত বিজ্ঞান, উদ্ভাবন, নতুন নতুন আবিষ্কার; কেউ কী দিতে পারছে সুখ-সমৃদ্ধি, শান্তির সন্তোষ! অথচ দুঃখী হৃদয় মুহূর্তেই শান্ত করে বৈরাগ্যের অপার সমুদ্রে ডুবে মরি কী আকুল মূর্ছনায়, যখন লালন উৎপত্তি প্রাণধনের কথা বলে, সেই ধন যতনের আকাঙ্খায় অকালের ফল পাকায়, আর তা দেখেও জ্ঞান হয় না আমাদের। এই তো আর্তি, ক্রন্দন, মুক্তির অশ্রু। কী চাই আমরা? আকাঙ্খার মৃত্যু থেকেই জন্মায় শান্তির পথ। মহাবোধি গৌতমের চিন্তনে ডুবে আছে কোন্ সম্মোহনে অগণিত সন্যাসীরা? ভালো-মন্দে উথাল-পাথাল এই জীবন সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে যাচ্ছে, ডুবে যাচ্ছে অকুল পাথারে। কেউ মোহ-মায়ার বন্ধনে আর কেউ ভোগের লিপ্সায়। কেউ অনন্ত অনুধ্যানে, কেউ অজ্ঞতার অন্ধকার নিমজ্জিত। কার খেলা? কে পারে নির্দিষ্ট করে বলে দিতে? কার কাছে এই মহাবোধের বিশ্লেষণ! 

কেন লিখি- এই প্রশ্নের জবাব দিতে গেলে হাজার হাজার বছর পেরিয়ে যাবে। চিন্তনের যোগসূত্রে লক্ষ লক্ষ পথ উঁকি মারবে। সীমাহীন এর উত্তর। ভাবনার এই দিগন্তে ‘কেন লিখি’- বারবার প্রতিধ্বনি হতে পারে। উত্তরের আকাঙ্খায় আসবে দুঃখ। এই দুঃখ আমাকে লেখায়। সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে লেখায়। বাসনার নিমজ্জনে লিখি। আকাঙ্খার উৎপীড়নে লিখি। লিখতে লিখতে মনের সমস্ত শক্তিকে প্রতিষ্ঠার কূটপ্রত্মে অক্ষয় করে রাখার কী প্রয়াস। কত নিন্দা, কুৎসা, যুদ্ধ, সমালোচনায় অন্যের অবস্থানকে নিচু করে নিজেকে উচ্চ আসনে বসানোর কী নিদারুন পদ্ধতি। অর্থ-পেশা-চালাকির শক্তিদ্বারা নিরন্তর এক পদলেহন করে চলা মিথ্যে প্রতিষ্ঠার। এই জন্য লিখি! নোংরা সব, কিম্ভূতকিমাকার, ছল, আত্মপ্রতারণার বীষে প্রতিনিয়ত জড়াতে লিখি। উদ্দেশ্যের লেখায় আর কী ফল লাভ হয়?

      ময়মনসিংহ গীতিকা, চর্যাপদের লেখকরা সৃষ্টি করেছেন। অনন্তরূপের অর্ন্তদর্শন করেছেন অগণিত নাম না জানা কত কবি। তাঁরা তাঁদের সৃষ্টিতে বেঁচে অছেন। সমৃদ্ধ করেছেন আমাদের নন্দন, সৃষ্টিতত্ব, সুন্দরের অপার করুণা। কোথায় শঙ্খ, কোথায় জয়- সমস্ত বর্তমান, ভবিষ্যতের নিক্তিতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে ধুলায় মিশে যাবে। বিলীন হয়ে যাবে কত কত জীবনানন্দ, বিনয়, ভাস্করেরা। পৃথিবীর এই নিয়ম। পুরাতনের ক্ষয়ে নতুনের জীবন উন্মেষ। নতুন-ভাবনার কাছে পুরাতনের সমর্পণ। অহর্নিশ কী এক আত্মপ্রপঞ্চনা, কী এক নারকীয় জন্ম-যন্ত্রণায় দিনরাত লিখে চলি। কী এই মোহ? ক্ষণিকের জন্য এই প্রশ্ন মনে উদিত হলে নিঃষ্প্রাণ হয়ে পড়ি। 

এই যে পৃথিবী, জ্ঞানের এই যে সমুদ্র- এখানে আমার তুচ্ছ জীবনের মাশুল দিতে দিতে বয়ে চলেছি যে জীবন; সে জীবন কী লিখবে? অজ্ঞানের অন্ধকারে, কুমন্ত্রণায় জরাজীর্ণ সাহিত্য-সমাজের আলোচ্য প্রতিফলনে কী লিখব? সব নষ্ট, ভন্ড, আত্মগরীমার গিনিপিগ-ঘেরা এই সাধনার অলিন্দে শুধূ নিষ্ফল আর্তনাদের কথা লিখি। সেখানে ব্যক্তি প্রধান, প্রতিষ্ঠার অবিরত প্রচেষ্টা শুধু। অনন্ত কোথায়? কোথায় উদারতা? শিল্প নেই, সৃষ্টি দূরঅস্ত। শুধু কদর্য কিছু মুখের আশেপাশে ঘুরে ঘুরে সৃষ্টির মিথ্যে গল্পের ভিতরে নিজেকে মহান করার চেষ্টা। এই জন্য লিখি। এভাবে প্রতারণার ফাঁদ পেতে মনুষ্যজীবনকে কুৎসিত-ইতিহাসের অজস্র পাতা উপহার দিতে লিখি বৈকি। এই সেই গভীর তাগিদ... এই জন্য লিখি হয় তো!

     কবিরা পাঠকের মুখ চেয়ে লেখে। মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য লেখে। লিখতে লিখতে কারও না কারও মুখ মনে পড়ে। অন্তরঙ্গ পাঠক বন্ধুদের মুখ মনে পড়ে। অথচ, আমি কারও মুখ মনে করতে পারি না। বিষন্ন  হয়ে পড়ি। পরশ্রীকাতরতার সাহিত্য-সমাজে শিক্ষিত, সুসংস্কৃত মনুষের অভাব। কাব্যরুচি জন্মানো সহজ কর্ম নয়। যখন কবিতা লিখি, তখন আমি স্বতন্ত্র। এবং এই স্বতন্ত্র ব্যক্তিস্বত্ত্বাই আমার আত্মম্ভরীতা, স্বরূপ। ব্যাকুল বিরহী-হৃদয়ের প্রেরণায়, শব্দে শব্দে বেদনার কথা লিখি। বিচ্ছেদের কথা লিখি। কী পাই লিখে? আজন্ম অতৃপ্ত থেকে থেকে যযাতির জীবন বহন করে চলি। কীসের অতৃপ্তি, কীসের বেদনা তা ব্যাখ্যা করে বোঝাতে পারি না। বেদনার এই জমাট থেকে উচ্চারিত হয় কবিতা। সার্থকতা নেই। পরিতৃপ্তি বলে কিছু নেই কবি জীবনের। হৃদয়-ক্ষরণের সঞ্চিত রক্তে অবিরত বেদনার উপসংহার নিয়ে লিখি। কেন লিখি, জানি না এখনও। তবু লিখি।

                                                                           সমাপ্ত 




 বিজ্ঞাপন 
আমাদের কাছে প্রতিদিনই একটি করে লেখা পাঠাতে পারেন। এবং আমরা তা প্রকাশ করব। লেখা পাঠাতে হবে আমাদের এই +919232237871 হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে। প্রথমে লেখাটির বিষয় উল্লেখ করবেন, তারপর লেখাটির নাম, তারপর লেখাটি টাইপ করবেন। যদি প্রথম বার লেখা পাঠান, তাহলে লেখার সঙ্গে একটি ছবি পাঠাবেন, আপনার ঠিকানা ফোন নাম্বার অবশ্যই উল্লেখ করবেন।
গল্প-কবিতা, প্রবন্ধ-আলোচনা, জীবনী এবং সাহিত্যের যে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন। স্বাধীনভাবে লেখালেখির জন্য বাংলা সাহিত্য ডট কম আপনাকে উৎসাহিত করে। আমাদের কাছে নির্দ্বিধায় নির্ভাবনায় লেখা পাঠান। সুন্দর ভাবে টাইপ করে, নির্ভুল বানানে লেখা পাঠানোর চেষ্টা করুন। বাংলায় লিখুন বাংলাকে ভালবাসুন। বাংলার সমৃদ্ধি ও প্রসারে এগিয়ে আসুন।
https://www.banglasahityo.com









    
Share on Google Plus

About Shraboni Parbat

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.