 |
| ঝরা ফুলের কথা : মৃদুল শ্রীমানী |
ঝরা ফুলের কথা : মৃদুল শ্রীমানী
রিন্টুকে ভালোই লেগেছিল সুপূর্ণার। এক পাড়াতেই বাড়ি। তার স্কুল থেকে আসা যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে থাকত ছেলেটা। কখনো হাতে প্রেমপত্র গুঁজে দিয়ে পালাতো। সুপূর্ণা কবিতা ভালবাসত জেনে নানা বই খুঁজে কবিতা টুকে আনত রিন্টু। ওকেই বিয়ে করবে বলে জেদ ধরেছিল মেয়ে। বাবা মা বিশেষ বাধা দেন নি। পাড়ার ছেলে, বিয়ে হলে একমাত্র মেয়েটা তো কাছেই থাকতে পাবে।
বিয়ের পর , এমন কি তনুকা, ওদের মেয়ে, হবার পর সুপূর্ণা চাকরি পায় কেন্দ্র সরকারি অফিসে। আর রিন্টু তারও কিছুদিন পরে প্রাইমারি স্কুলে ঢুকল। সুপূর্ণা খুশি হয়েছিল। রিন্টু শিক্ষকতা করে তাদের জীবনের রুচিগত মান এগিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু রিন্টু এখন স্কুলের পর বেশিরভাগ সময় কাটায় প্রোমোটারি ব্যবসায়। শহরটা খুব দ্রুত বাড়ছে। সুপূর্ণা মেয়েকে নিয়ে বেশিরভাগ সময় বাপের বাড়ি থাকে। মাঝে মাঝে দর্পণে নিজেকে দেখে প্রশ্ন করে, এমন একটা লোককে জীবনসঙ্গী করা কি খুব দরকার ছিল?
বাগানের ঝরা ফুল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সেই কথা শোনে।
This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.
0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন