![]() |
| অবচেতন : বিষ্ণু পদ মাহান্তি |
দুটি হাতের সবকটি আঙ্গুল
নিসপিস করে সর্বদা,
কাতুকুতু করব বলে গলা হতে নামে
কোমরের বাঁধন হয় আলগা
ঘোর বিপদেও ভাসতে চায়
আঁধারে নিমজ্জিত কামনা।
কথা বলার ছলে চোখ চলে যায়
আদিম উপত্যকার কোনে
মনের মধ্যে সবসময়-সবসময়
সবসময় উতলা হয় উদলা চিত্রের ভাস্কর্য দর্শনে।
শিশিরের জল যখন গায়ে লাগে
আর বর্ষার ঘ্যান ঘ্যান
যখন বিছানা অসহ্য হয় ভাপসা গন্ধে
যখন আমার চোখ শাদা স্থির
যখন আমি চাই বলতে---
আলো-স্বপ্ন-কাল-ভবিষ্যৎ
সেই সময়ে----
যখন তুমি আমার কপালে হাত রাখো
আমার চোখ নেচে উঠে
আমি দেখি তোমার বুকের বিভীষিকা।
আলো- স্বপ্ন- কাল- ভবিষ্যৎ
বিভৎস বিভীষিকা,খালি বুক
আদিম-অর্বাচীন নিয়ন্ত্রন জীবন
সেই রহস্যময় যোনির অন্ধকার।
ট্রামে বাসে একটু ছোঁয়া
রাত্রে মনোবিকলনের চিন্তা।
সকালে স্নানের ঘাটে অবৈধ যাতায়াত।
মানবিক হেতুর থার্মোমিটারে
শারীরিক উষ্ণতার অধ:পাত।
রিপুর ষড়যন্ত্রে নাকাল জীবন
গন্ধর্ব মতে আদি রসের রচনা
প্রোসীত ভর্তিকার প্রণয় উচ্ছাস
কামাতুরার কামের বন্দনা।
স্বপ্ন আসে,
বিভাজিত বিবেকের জয় ধ্বনি শেষে
অতীতের বিলয় কারাগারে নিশ্চিহ্ন
মানবাত্মার মুক্তির বেশে।
ভুল হয় শুধু অবচেতনের দোষে।

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন