অন্বেষা ও জাতকের গল্প : স্মৃতিজিৎ

স্মৃতিজিৎ
অন্বেষা ও জাতকের গল্প

তবুও দিগন্তের ধূসর বাহু বাড়িয়ে রেখেছি অনন্ত উজানে । বুকের ভেতর ছলকে ওঠা ঢেউ গুনতে গুনতে যে চিল উড়ে গেছে দিগন্তের ওপারে আমি তার স্বচ্ছ ছায়া খুঁজি রুপালি তোর্সার জলে ।

এখানেই একদিন পরিযায়ী ঠোঁটে ভাসিয়ে দিয়েছি সোনালি
পালকের ভেলা । অন্বেষার আলতা-পায়ের ছোঁয়ায় বেজে উঠেছিল জলনূপুর । অনিবার্য বিপ্রতীপ স্রোতে ভেসে গিয়েছিল আমার ব্যর্থ কথামালা ।

স্বপ্নের মৃদু গন্ধের মতো লেবুর কচিপাতা ছিঁড়ে নিয়ে অন্বেষা বলেছিল, তুমি অন্ধ হোমারের মত শুঁকে নিতে পারো আমাকে

ফড়িংয়ের চোখের মত নীলাশ্রু লুকিয়ে রেখে তুমি দাঁড়িয়েছিলে পাশে । দু'হাতে কোনো স্পর্শ রাখোনি । তাই আমি তৃষ্ণার মত স্পর্শকে রেখেছি সৃজনতুলিতে -- সৌখিন ক্যানভাসে !

এখনও প্রতিটি গানের ভেতর লুকিয়ে রাখি দুঃখমালা - অথবা অরফিউসের বেহালার মত করুণ তারে রাখি ব্যর্থ আঙ্গুল । শোকগুলো ক্রমশ পাথর থেকে পাখি হয়ে যায় । হতাশার গল্প লিখি জাতকের সমূহ পৃষ্ঠায় ।
Share on Google Plus

About Shraboni Parbat

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.