কাঞ্চনপুর সাহিত্যের গোড়ার কথা : গোবিন্দ ধর

কাঞ্চনপুর সাহিত্যের গোড়ার কথা : গোবিন্দ ধর
কাঞ্চনপুর সাহিত্যের গোড়ার কথা : গোবিন্দ ধর


বনতট সম্পাদক হারাধন বৈরাগী, রসমালাই সম্পাদক অমলকান্তি চন্দ, দোপাতা সম্পাদক দিব্যেন্দু নাথ মহোদয় একটু দেখবেন নিচে লেখা  বিষয়টি।

দেওভ্যালী সংবাদ কাঞ্চনপুর থেকে প্রকাশ হতো।এতে আমার অনেক কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। খারাঙের কথাও আলোচনায় আসুক।ছোট ছোট উদ্যোগগুলো হয়তো ছোটই তবুও এগুলোই ত্রিপুরার সাহিত্যচর্চায় আগামীদিনের ইতিহাস।এই ছোটো ছোটো কাজগুলোই সাহিত্যের এন্থ।এই শক্তিকে মনে রাখতেই হয়।সম্ভবত রূপম নাথ অনুপম নাথরা দেওভ্যালী সংবাদ প্রকাশ করতেন।সম্পাদক ছিলেন বিশ্বজিৎ সাহা। পত্রপত্রিকাটি লেটার প্রেস থেকে ছাপা হতো । নিজেরাও লেখালেখি করতেন।শেষে কখন কিরকম পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। 

বর্তমান সৎসঙ্গ যাওয়ার রাস্তার নিকট ১৯৯৫ সালেও আমি অনুপম নাথের বাসায় গিয়ে অনুপম নাথের কবিতা চর্চার খাতাগুলো পড়েছি।অনুপম বয়সে আমার চেয়ে ছোট।সে খেলাধূলাতেও পারদর্শী ছিল। সম্ভবত নেতাজীক্লাবের সাথেও যুক্ত ছিল। একটু খতিয়ে নিলে এরকম বিজয়া চাকমাসহ অনেককেই পাবেন।আগামীদিনের ত্রিপুরার ইতিহাসে কাঞ্চনপুর, কুমারঘাট,কৈলাসহর,কমলপুর,ধলাই,আগরতলা, বিশালগড়,বিশ্রামগঞ্জ,উদয়পুর,বাইখোড়া, সাব্রুমের সাহিত্য চর্চায় নতুন নতুন দিক উন্মোচন হলেই প্রকৃত ইতিহাস সামনে আসবে।সম্ভাবনা আছে আগামীদিন সোনামুড়া অঞ্চলেও।

হারাধন বৈরাগীর কলম থেকে এই চর্চা ছড়িয়ে পড়ুক। ত্রিপুরার সাহিত্য চর্চা শুধুমাত্র রাজধানী কেন্দ্রিক নয়।আমাদের সকল মহকুমা স্তরেই সাহিত্য চর্চায় নতুন নতুন সাহিত্যিকদের হাতেখড়ি হয়।হয়তো একটু দিক বাৎলে দেওয়ার জন্য তারা হারিয়ে যান।আমার বিশ্বাস এই কাজটুকু করলে ত্রিপুরার সাহিত্য চর্চার নানান সম্ভাবনাকে আমরা তুলে আনতে পারবো।
Share on Google Plus

About Shraboni Parbat

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.