![]() |
| শাস্তির বিধি : ছবি ধর |
ধর্ষিত চমৎকার রাত কাটায়
পাষণ্ড আঙুলের কড়ে স্ফূর্তি গোনে।
মেয়েটির তাড়স্বরে চিৎকার করে করে ক্লান্ত হয়ে পরা শব দেহ
খুবলে খাওয়া পশু তখন উল্লাসে মত্ত।
লজ্জিতা হয় নারী কম্পিত হয় দিবালোকের প্রহসনে
আগমন নয় বিসর্জনের বাজনা বাজে মনে।
জগৎ সংসার সেই মেয়েটিকেই দায়ী করে !
নির্লজ্জ বেহায়া অপবাদ দিতে এতটুকু বাঁধেনা,
পরিধানের দৈর্ঘ মাপে -- হাসি মাপে -
ইঙ্গিত ছিল কিনা মেয়েটির
প্রলোভনের শিকার হয়ে ধর্ষণ করেছে হয়তো ,
শুনসান পথে রাত বিরেতে একলা কেনো গেছিলো ?
সোমত্ত মেয়ের এতো রূপচর্চা কিসের ?
প্রলোভনের শিকার হয়ে ধর্ষিতা হয়েছে হয়তো ,
হয়তো একজন কাউকে ঠকিয়েছে মেয়েটি ...
হয়তো এখন অন্য কারোর সাথে প্রেমে জড়িয়ে গেছে
ধর্ষণের পর খুন হলে অপমৃত্যু --- নয়তো --মানে
হয়তো নয়তো তে জেরবার ধর্ষিতার পরিবার।
আদালতে জেরার জবাব দিতে দিতে মৃত্যু হচ্ছে প্রতিদিন।
একের পর এক ধর্ষণের পর জ্বলছে চিতা।
গাঁজাখুরি সব প্রশ্ন উঠে আসে সমকালীন বোধহীন সমাজ থেকে।
অন্যের বাগান থেকে ফুল ছেড়া ---
ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনো নারীকে ছোঁয়া ---
অন্যের জিনিসে হাত দেওয়া যে অন্যায়
এসব নীতিবাক্য সিগারেটের নিভে যাওয়া টুকরোর মতো
পায়ের নীচে পিষে থেতলে দিয়ে
ধর্ষণ করে ইজ্জত লুটেরার দল।
সকল আস্ফালনকে তুড়ি মেরে মেতে ওঠে সঙ্গমে
পবিত্রতা নষ্ট করে ফুলের মতো মেয়ে শিশুর।
ধর্ষণ করে মানসিকতার --- মৃত্যুর চেয়েও নৃশংস যন্ত্রনায়
মেয়েটি কুমারীত্ব হারায় -হারায় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্বপ্নটি।
ধর্ষক একটি বারের জন্যও ভাবেনা ----
ভাবেনা মেয়েটিও কারও বোন কারও মেয়ে।
কারও একান্ত প্রিয়জন।
কালো কাপড়ে মূখ ঢেকে নয়
মোমবাতি মিছিলে হেঁটে নয়
ঘৃণা উগলে বমি করে নয়
দোষী প্রণাম করে ধর্ষিতার পরিবারের হাতেই ধর্ষকের
মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হোক।
কালকুঠুরিতে নয় প্রকাশ্যে প্রখর দিবালোকে
ফাঁসিতে ঝোলাবার শাস্তি হোক চূড়ান্ত।
নেদারল্যান্ডের চেয়েও মহান ভারত দেখতে চায়
আগামী প্রজন্ম। গর্ব হোক মেয়ে সন্তান।

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন