![]() |
| কিশলয় গুপ্ত'এর আরও তিনটি কবিতা |
বাউলানা-২৮
আয় মেয়ে তুই রেপ হয়ে যা
গোদা বাংলায় ধর্ষিতা
দ্রোপদী, অহল্যা,তারা
কুন্তী কিম্বা ধর সীতা।
যা খুশি তাই করতে পারি
পকেটে যে মাল আছে
আয় মেয়ে তুই রেপ হয়ে যা
কত নিবি? লাখ পাঁচেক?
বিচার? তাকে থোড়াই কেয়ার
হাতে পুলিশ, নেতা দাদা
মন্ত্রী হোক বা ষড়যন্ত্রী
সব আমার লিঙ্গে বাঁধা।
তোর বুকেই টিপবো মালা
এই প্রতিজ্ঞা করিলাম
সাদা চামড়ার দিব্যি- দেবো
যৌনাঙ্গে হরিনাম।
২৯
তারা সুখে আছে- যারা গর্তে
আঁচলে আঁচল রাখে বীনা শর্তে
মাটি কামড়ে খায় স্বর্গ,মর্তে।
"তাদের ব্যাপারে আমি জানি না কিচ্ছু"
চামড়ার চোখে আমার বড় বিস্ময়
কার সাথে কী যোগে বিষ হয়
ভোরের স্বপ্নে এই সব দৃশ্য
"আমাকে বানিয়ে দিচ্ছে আরও বিচ্ছু"
ভাদ্রে মিলিত হয় কুকুর ষন্ডে
দেখে বড় ব্যথা অনুভব করি অন্ডে
মহাকাব্যিক গল্প কয়েক খন্ডে
"প্রকাশ করতে এই গুপ্ত ইচ্ছুক"
৩০
পতঙ্গ জানে আগুনের মহিমা কয় প্রকার
কার কাছে জেনে নিতে পারি
রোজ রাতে কোন পথে বাড়ি ফেরে প্রেম।
আমি তো তোর প্রেমিক না
একদা প্রেমিকারা ফাটিয়ে সংসার করছে
এখন আর কৌমার্য চুরির ভয় নেই।
অকাল বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে শহুরে মেয়েরা
বেচারা রেইনকোট ঠিকানাহীন হয়ে
দিনের অপেক্ষায় আছে বহুকাল
আগুন আর বৃষ্টির সমানুপাতিক হিসাব
হারিয়ে অল্প বয়সী আবহাওয়াবিদ
যাবতীয় দোষ ঠেলছে হাওয়া মোরগের ঘাড়ে
সন্দেহবশত জোনাকীরা উঁকি দেয় দিনে
আগুনের মহিমা নিয়ে বাঁচে পতঙ্গরা...

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন