![]() |
| রীনা মন্ডল |
পরিচয়পর্ব :- বিজ্ঞানী মাইকেল ভম্বল। বাড়ি USA. পেশায় বিজ্ঞানী। নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত।
ইয়াং ঝাং সি পেশায় প্রথম সারির একজন বিজ্ঞানী। বাসস্থান জাপানের টোকিও শহর।
শ্রী চতুর ভট্টাচার্য হলেন একজন স্বনামধন্য ভারতীয় বিজ্ঞানী। দেশে নাম,জশ ও খ্যাতির কোনো অভাব ছিল না।
স্বভাবতই মানুষ যেটা আবিষ্কার বা সৃষ্টি ক'রে থাকে তার একটা নমুনা নিজের কাছেই রেখে দেয়। দুবাইয়ের একটি হোটেলে সৌভাগ্য বশতঃ এই তিনজন মহান ব্যক্তির আলাপ হয়। আলাপ চারিতায় তিনজনের কর্মকান্ড নিয়ে পরস্পরের প্রতি সুস্পষ্ট ধারণা জন্মায়। তাতে নিজের নিজের জাতি ও দেশ এবং সর্বোপরি নিজের আবিষ্কৃত বিষয় বস্তু প্রাধান্য পেয়েছিল। ঘটনা ক্রমে মাইকেল ভম্বল মহাশয় উচ্চস্বরে বলে ওঠেন," আমিই বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানী। আমার আবিষ্কার সব দেশের সেরা। আমি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সরু লৌহতার আবিস্কার করতে সমর্থ হয়েছি" সত্যি সত্যি বাকি দু’জন খুব চিন্তিত হয়ে পড়ল।
কয়েক দিন পর ইয়াং ঝাং সি মহাশয় ও বাকি দু’জন বিজ্ঞানী আবার একত্রে বসলেন।হঠাৎই স্বদর্পে ইয়াং ঝাং সি বলে উঠলেন," আমিই বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানী"। তিনি সেই লৌহ নির্মিত তার টির ভিতর দিয়ে একটি ছিদ্র করেছেন। যা পৃথিবীতে আর কেউ করতে পারে নি। বাকি দু’জনের মাথায় হাত। তাই তো কি আশ্চর্য! এটা তো সম্ভব নয়। দুজনেই গভীর ভাবে চিন্তা করতে লাগলেন। ভারতীয় বিজ্ঞানী সঙ্গত কারণেই একটু বেশি চিন্তা করতে লাগলেন।
ভাবতে ভাবতেই তিনি ঘর ছেড়ে দ্রুত বেরিয়ে গেলেন। কিছুক্ষণ বাদে ফিরে এসে হাত পা ছুঁড়ে আস্ফালন করতে লাগলেন। বলতে লাগলেন যে," আমিই বিশ্বের একমাত্র বিজ্ঞানী আমার কোন জুড়ি নেই ইত্যাদি ইত্যাদি" আবার তিন বন্ধু মিলে আলোচনা শুরু করলেন। এবার শ্রী চতুর ভট্টাচার্যের আবিষ্কার দেখানোর পালা।
বাকি দু’জন একটু থেমে আছে। মাননীয় শ্রী চতুর ভট্টাচার্য মহাশয় বুক ফুলিয়ে সংগ্রহস্থল থেকে সেই তারটি বের করে বললেন যে, " আমিই বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানী" বলে লৌহ নির্মিত তারটির গায়ে লেখা "made in India" সকলকে দেখিয়ে দিল।

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন