![]() |
| নগ্ন সভ্যতা : বঙ্গজ |
চার কাঠি জানলার ফাঁক দিয়ে
দিনের আলো ঘরে আসে
অন্ধকার ঘরকে সম্ভাসে---
তোর এ কেমন দশা?
এজন্য আমার আসা
চার দেয়াল চার কোণ
আঁধারে মাপবে কোন্ জন চার পায়ার উঁচু খাটি
নিচে উঁই ইঁদুরের ভ্যাপসা মাটি
আঁধার-কালো দেয়ালের রঙ
আসবাবে সব ধরেছে জং
ছড়িয়ে ছিটিয়ে উলঙ্গ বই
আদাবের ভান আর আদরের মই
চাল ধানের লক্ষীর ঘড়া
ছেঁদা আর ফুটো আগাগোড়া
পিলসূজের উপরে তেল-সলতেহীন প্রদীপ
ব্রতকথার পাঁচালির পরে ধুলোর ঢিপ
ঠাকুরাসন নয় সিংহাসন
মানুষের ঘরে এ কোন্ দেবাসন!
শুধু মশা মাছি মাকড়শার ইন্দ্রজাল
ওহে,তোর ঘরে থাকবে চিরকাল?
তাইতো মানুষ মানুষকে বলে--
ওহে,মনু ব্যাটা
ঘরে তোর বেদের চেটা
বাইরে দেখ কোঁচানি ঘটা!
চমকে,ঘর দেখে বাইরে
বলে ব্যঙ্গ করে---
গবাক্ষ পথে আসা আলোরে
ঘরের মধ্যে সূর্য ওঠে কবেরে?
দিনের শেষে এতো কথা
থাকবেনা তোর বাচালতা
শুধু ঝড় বৃষ্টি সামলাবার তরে
অন্ধকার ঘর অন্ধকার করে?
আঁধারেই তো শত সুখ আসেরে---
চুমু খাবি আলোয়?
প্রেম করবি প্রকাশ্যে!
পরোঢ়ার কাছে যাবি কোন্ অভিসারে?
জুয়োর আড্ডা বসবে পদাবলী আসরে!
নারী তিন পুরুষের বশে থাকবে চিরদিন!
শুধু মনুসংহিতার বিধান
রাজার তৈরি সংবিধান
তাতে কী শুধু আলোর নিদান!
গাছ কাটলে সবুজ ধ্বংস হয়
গাছ কাটা তাতে বন্ধ রয়
নগরায়ণ কেউ আটকায়
ইটের পরে ইট গাঁথা বন্ধ হয়
নারীপাচার ধর্ষণ থামে?
বারবণিতা সাজে সোহাগ কামে!
শুধু ভিতর দেখিস
দেখিসনা বাইরের পালিশ!
সজোরে বলছি,
হেডলাইন কর---
ভিতরে শ্মশান বাইরে ফ্যাশান
সদম্ভে বলছি---
ওহে মূর্খ,
জানিস না
সূর্য একটাই।

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন