![]() |
| কিশলয় গুপ্ত |
অন্ধকার দিনগুলি
দিনগুলি আজ গুমরে কাঁদে
মস্ত গ্রহণ ত্রস্ত চাঁদে
অস্ত যাচ্ছে স্বপ্ন যাদের
তাদের জন্য ভাবনা বড় বেশী
দিনগুলি আজ আঁধার ঢাকা
ঘুরছে না আর ধাঁধার চাকা
যাপন জুড়ে আধার বাঁকা
কে দেখাচ্ছে ফালতু মাংসপেশী
দিনগুলি আজ অদরকারি
আঁধার পোকা ব্যস্ত ভারি
স্বপ্ন তামাম আকাশচারী
তোমার কথা বড্ড মনে পড়ে
দিনগুলি আজ কাঁদছে বড়
আর কেউ নেই যোগ্যতর
যে যেখানে হামলে পড়
ধাঁধার কারণ আঁধার ঘরে ঘরে
#পাপী_কল্পনা
মনের বনে বাঘ ডেকেছে হালুম
চাদর জুড়ে ফুল পাতারা নাচে
বালিশ কাঁদে কেন খোদায় মালুম
তক্তাপোষে ছারপোকাদল বাঁচে
মনের বনে বৃষ্টি পড়ে দারুন
সৃষ্টি ধরে চামড়া জুড়ায় খাসা
মন ই বলে একটু গতর নাড়ুন
ঘুলঘুলিতে চড়ুই পাখির বাসা
মনের বনে শেয়াল ডাকে ভীষন
জলের খোঁজে অনেক শ্বাপদ ঘোরে
কান কথাদের ধরে না ইস্টিশন
এদিক ওদিক হাওয়ার ভিতর ওড়ে
মনের বনে পায়ে চলা পথ অনেক
চলতি পথে হৃদয় বন্য হয়
রাজপথ পায় এক থেকে দুই জনে
এবং সে পথ সবার জন্য নয়
#একমাত্রপ্রেমেরইজিত
নিয়ম বাঁধা- হাতের উপর কিচ্ছু নেই
ছেলেটা আর আগের মতো বিচ্ছু নেই
তবুও চিৎ শোয়ার শখ হয় কুঁজারই
যেমন ছিল ছেলে আগে প্রেম পুজারী
নিয়ম বাঁধা- ঘর বন্দী- পায় সম্বিৎ
আর কারো নয়, একমাত্র প্রেমেরই জিত
আঁধার বাড়ে চোখের আড়ে হাড়ে কাঁপন
ভুল হয়ে যায় কে পর আর কে যে আপন
যাপন বড় গোলকধাঁধায় আপাতত
প্রান অক্ষর ঝরে পড়ে ছাপা যত
নিয়ম বাঁধা- ঘর বন্দী- কী কুৎসিত
আর কারো নয়, একমাত্র প্রেমেরই জিত
চামড়া পোড়া গন্ধ নাকে কান্না রত
গেছে পঁচে আগের দিনের রান্না যত
মুশরে আছে রান্না ঘরে মশলাপাতি
কুঁচকে যাচ্ছে সাহস লাগা চওড়া ছাতি
নিয়ম বাঁধা- ঘর বন্দী- গায় সঙ্গীত
আর কারো নয়, একমাত্র প্রেমেরই জিত
#টোয়ালাইট_সাগা
কী বয়স- কে জানে- কার কাঁটা লাগা
কাল ধরে হয়ে যায় টোয়ালাইট সাগা
ঝুলকালি ভরা আছে গোটা ডাকবাক্সে
ব্যর্থ প্রেমিকেরা কার মুখ আঁকছে
কে কোথায় বসে পড়ে কার প্রেমপত্র
মনপুরা জমিদার খোলে দানসত্র
কী বয়স-কে জানে- কোন হতভাগা
চিতা জুড়ে শাব্দিক টোয়ালাইট সাগা
গান মানে চোখ দানে দেখা ডাকবাক্সে
ঝরে পড়া বাক্যে সাক্ষটা থাকছে
অনাদরে ঘর ভরে ভেজা প্রেমপত্র
বুকে বুকে সুর বাজে এই যত্রতত্র
জীবনের মূল নেই- নেই ডগা আগা
হাড়ে হাড়ে বেঁচে থাকা টোয়ালাইট সাগা
#দেখছি এবং ভাবছি
দেখছি যত চামড়া চোখে সব কবিতায় আঁটছে না
সত্যি বলছি- ফাটছে না
হাড়ের পাশে এখন তো আর রক্ত নেই
হাড়ও তেমন শক্ত নেই
যদিও ঠিক ঘরের ভিতর একা সময় কাটছে না
তবু জানি মৃত্যু পাকা, নরকের সব ঘাট চেনা
অন্ধকারে অন্ধ জনের হাতে আগুন পুড়ছে বন
পায়ে চলা পথ বন্ধ উড়ছে মন
হাতে থালা আর জ্বলন্ত মোমবাতি
ভাবছি- এরা ব্যোম জাতি?
ধর্ম দেখে রাস্তা এগোয় শ্বাপদ একা মুড়ছে ধন
তার পিছনে লাইনে আছে লালা ঝরা একশো জন
শরীর জুড়ে শীতল হাওয়া চামড়া তবু ফাটছে না
সব খেলারই মাঠ চেনা
বুকে বুকে ধাক্কা লেগে চাক্কা চুপ
সব মানুষের শান্ত রুপ
দেখছি এবং হচ্ছে নেশা বাকি শুধু চাট কেনা
চামড়া চোখে আসছে ছবি সব কবিতায় আসছে না
#কুমারী_দুঃখগুলো
স্তব্ধতাও আড়াল খোঁজে শব্দরা কি ভার্জিন
ভাবনা থেকে অভিধানে রাখছি কিছু আর্জি
দিনের সাথে রাতের থাকুক বেশ কিছুটা মার্জিন
বুক থেকে বুক চামড়া কেটে সেলাই করে দর্জি
সুতোর রং'এ রঙীন মানুষ দিচ্ছে স্ব স্ব মর্জি
প্রয়োজনে তৈরী আছে কাঁধের উপর শর জ্বি
তেমন কোন কল্পনা নেই গল্পতেই আটকে
এখন চোখে যা দেখছি সব কিছুই হাটকে
গোটা পুকুর ঢেউয়ের কারণ দোষ দিচ্ছে ঘাট'কে
সুযোগ বুঝে দিনের আলো যাপন করে ধর্ষণ
হাতের উপর ভাগ্য ঘোরে কেউ করে না স্পর্শ
এমনি ভাবে দিন গুনেই যাচ্ছে কেটে বর্ষ
রাতের নামে হলুদ খামে আসছে চিঠি নাচতে
রক্ত হাসে শক্ত হাতে কেউ ধরেছে কাস্তে
অযোধ্যাতে হনু কাঁদে সামনে লেডিস আস্তে
হেই কুমারী অনন্ত রাত ঘুমিয়ে আছে রামটা
কর্ম সাবার খেতেই হবে দু'একটা মুখ ঝামটা
ঘোমটা আছে নাচছে তবু মনের সুখে খ্যামটা

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন